1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
মাত্র ১৮ আলোকবর্ষ দূরে বাসযোগ্য অঞ্চলে গ্রহের সন্ধান - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিল্কিওয়েতে সাদা নক্ষত্রের অদ্ভুত আচরণে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম

মাত্র ১৮ আলোকবর্ষ দূরে বাসযোগ্য অঞ্চলে গ্রহের সন্ধান

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউসি–আর্বাইন) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর খুব কাছাকাছি এক নতুন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। গ্রহটি তার নক্ষত্রের ‘হ্যাবিটেবল জোন’–এ (যেখানে পানির অস্তিত্ব থাকার মতো উপযুক্ত তাপমাত্রা থাকে) ঘুরছে। পানিই জীবনের মূল ভিত্তি, তাই এ আবিষ্কারকে গুরুত্ব দিচ্ছেন গবেষকেরা।

নতুন পাওয়া এ গ্রহের নাম জি–জে ২৫১ সি (GJ 251 c)।

এটি আকারে পৃথিবীর মতো হলেও ওজনে বেশি। তাই একে ‘সুপার–পৃথিবী’ বলা হচ্ছে। গ্রহটি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একটি খুব কাছের অংশে অবস্থিত, মাত্র ১৮ আলোকবর্ষ দূরে।
বিজ্ঞানীদের ভাষায়, এ দূরত্ব ‘মহাজাগতিক হিসেবে প্রায় পাশের বাড়ি’।

গ্রহটি একটি এম–ডোয়ার্ফ নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এ ধরনের নক্ষত্র মিল্কিওয়েতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এবং দীর্ঘায়ু। তবে এগুলোতে তারকালোকের দাগ ও আকস্মিক বিস্ফোরণ প্রায়ই ঘটে। এগুলোর আলো পরিবর্তন অনেক সময়ে গ্রহ শনাক্তের সংকেতের সঙ্গে মিলে যায়, ফলে আসল সংকেত আলাদা করা কঠিন হয়।
তবু উন্নত যন্ত্রের সাহায্যে জি–জে ২৫১ সি–কে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। হ্যাবিটেবল–জোন প্ল্যানেট ফাইন্ডার (HPF) ও NEID যন্ত্রে নক্ষত্রের আলোতে খুব সামান্য নিয়মিত পরিবর্তন ধরা পড়ে। কোনো গ্রহ তার নক্ষত্রকে টানলে এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়—এ পরিবর্তনকে বলে রেডিয়াল ভেলোসিটি সিগনেচার (তারার আলোর সূক্ষ্ম দোলন)। এই সংকেত থেকেই গ্রহটির অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়।

গবেষকেরা জানান, গ্রহটি পৃথিবীর এত কাছে হওয়ায় ভবিষ্যতে সরাসরি ছবি তোলা সম্ভব হতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের থার্টি মিটার টেলিস্কোপ (TMT) চালু হলে এমন ক্ষীণ গ্রহের স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে এবং পানির অস্তিত্ব আছে কি না—তা যাচাই করা যাবে।
গবেষণার প্রধান লেখক কোরি বিয়ার্ড বলেন, বর্তমান তথ্য বেশ শক্তিশালী হলেও চূড়ান্ত নিশ্চিত হতে হলে সরাসরি ছবি প্রয়োজন। গবেষকেরা আশা করছেন, ভবিষ্যতের উন্নত টেলিস্কোপ এ গ্রহ সম্পর্কে আরও নির্ভুল তথ্য দেবে এবং নতুন গবেষণার পথ খুলে দেবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট