অনলাইন ডেস্ক
ছবিসূত্র: কুহুডাক
সুখিয়া ভ্যালি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলায় মাতামুহুরি নদীর তীরে অবস্থিত একটি অপরূপ পর্যটন কেন্দ্র। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই ভ্যালি চারপাশে সবুজ পাহাড় ও শান্ত নদীর জন্য পরিচিত। প্রকৃতি প্রেমী এবং পর্যটকদের জন্য এটি এক আকর্ষণীয় গন্তব্য।
ভ্যালিতে কী দেখবেন
সবুজ পাহাড় ও মাতামুহুরি নদীর মনোরম দৃশ্য,
সুখিয়া ও দুখিয়া পাহাড়ের মিলনমঞ্চ,
পাহাড়ের চূড়ায় ওয়াচ টাওয়ার থেকে সৌন্দর্য উপভোগ,
জুম ঘর ও ক্যাম্পিং করার স্থান,
হিল হাইকিং ও ট্র্যাকিংয়ের সুযোগ,
মাতামুহুরি নদীতে নৌকা ভাড়া নিয়ে ঘুরে দেখা,
মিনঝিরি পাড়া ও সাদা পাহাড়,
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ,
মেঘ দেখা এবং প্রকৃতির নিস্তব্ধতা অনুভব।
ভ্রমণের উপযুক্ত সময়
শীতকাল (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) সুখিয়া ভ্যালি ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। এই সময় আবহাওয়া আরামদায়ক এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করা যায়।
যাত্রাপথ
ঢাকার যাত্রীরা: ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে চকরিয়া বাস টার্মিনালে নামুন। এরপর জিপ, বাস বা সিএনজির মাধ্যমে লামা হয়ে সুখিয়া ভ্যালি পৌঁছানো যায়।
চট্টগ্রাম থেকে: চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজ বাস স্ট্যান্ড থেকে চকরিয়ার বাসে করে লামা আসা যায়।
থাকার ব্যবস্থা
ভ্যালিতে বেশ কিছু জুমঘর ও কটেজ রয়েছে। রিভারভিউ ইকো রিসোর্ট এবং সুখিয়া ভ্যালি ইকো রিসোর্টে থাকার সুযোগ রয়েছে।
জুমঘরে ৫–২০ জন থাকা যায়; ভাড়া ১৫০০–৪০০০ টাকা।
চাইলে তাবু নিয়ে বা ভাড়া করে থাকার ব্যবস্থা করা যায়। লামা উপজেলায় বা মিরিঞ্জা, মারাইংছা এলাকায় সাশ্রয়ী হোটেলও রয়েছে। ছুটির দিনে যাওয়ার আগে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া ভালো।
খাবারের ব্যবস্থা
কটেজ থেকে প্যাকেজ আকারে খাবার পাওয়া যায়। জনপ্রতি খাবারের প্যাকেজ মূল্য: ৬০০–৭৫০ টাকা।
প্রকৃতির সৌন্দর্য, পাহাড় ও নদীর সংমিশ্রণে সুখিয়া ভ্যালি আপনাকে এক অনন্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা উপহার দেবে। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি আদর্শ গন্তব্য।
সূত্র : কুহুডাক