হাবিবুর রহমান (সুজন)
মানুষের জন্য কাজ করাই যার জীবনের ব্রত—এমন একজন সমাজসেবকের নাম মো: বাদশা আলম বাবলা। ছোটবেলা থেকেই পরিশ্রম, সততা ও মানবিক চেতনায় বেড়ে ওঠা এই মানুষটি আজ সমাজের ছোট-বড় সকল শ্রেণির মানুষের কাছে এক পরিচিত ও সম্মানিত নাম।
শৈশব থেকে সংগ্রামের শিক্ষা
অভাব-অনটনের মাঝেও ছোটবেলা থেকেই বাদশা আলম বাবলা শিখেছেন জীবনসংগ্রামের অর্থ। পারিবারিক বাস্তবতা তাঁকে কখনো দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস তাঁকে গড়ে তুলেছে আরও দৃঢ় ও মানবদরদি মানুষ হিসেবে। মানুষের কষ্ট দেখলে কখনো চুপ থাকতে পারেননি—এই অনুভূতিই তাঁকে সমাজসেবার পথে এগিয়ে নিয়েছে।
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই জীবনের লক্ষ্য
দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। গরিবদের চিকিৎসা সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ প্রদান, অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা—এমন নানামুখী সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত।
বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সময়ে তাঁর ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। বন্যা, শীত বা সংকটময় মুহূর্তে নিজ উদ্যোগে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন সহায়তার হাত।
জনপ্রিয়তার মূল কারণ: মানুষকে ভালোবাসা
ছোট-বড়, তরুণ-বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষের কাছেই তিনি সমান গ্রহণযোগ্য। অহংকারহীন আচরণ, বিনয়ী স্বভাব ও আন্তরিক ব্যবহারের কারণে সাধারণ মানুষ তাঁকে আপন করে নিয়েছে। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, সমস্যার কথা মন দিয়ে শোনা এবং যথাসাধ্য সমাধানে এগিয়ে আসাই তাঁর জনপ্রিয়তার মূল চাবিকাঠি।
সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন
মো: বাদশা আলম বাবলা বিশ্বাস করেন, সমাজ বদলাতে হলে আগে মানুষের মন বদলাতে হবে। তিনি চান একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সহমর্মিতাপূর্ণ সমাজ—যেখানে কেউ অবহেলিত থাকবে না। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে সমাজসেবামূলক কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
অনুপ্রেরণার নাম বাদশা আলম বাবলা
নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া এই সমাজসেবক আজ অনেক তরুণের অনুপ্রেরণা। তাঁর জীবন ও কর্ম প্রমাণ করে—ইচ্ছা আর মানবিকতা থাকলে সীমিত সামর্থ্য দিয়েও সমাজে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।
মো: বাদশা আলম বাবলা—একজন মানুষের নাম নয়, বরং মানবতার প্রতীক, সমাজসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।