1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম এক অনিশ্চয়তা গ্রাস করেছে - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম সবার দোয়া ও ভালবাসায় অভিনয় করে এগিয়ে যেতে চাই : অভিনেতা ইমরান হাসো

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম এক অনিশ্চয়তা গ্রাস করেছে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল করিম খোকন।

এই মুহূর্তে সবার মনে, একটি প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত কী ঘটতে চলেছে দেশে? চরম এক অনিশ্চয়তা গ্রাস করেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। দারুণ হতাশা, পারস্পরিক অশ্রদ্ধা, অবিশ্বাস, বিদ্বেষ, নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের আলামত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে সবার সর্বসম্মতিক্রমে ও সমঝোতার ভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের একমাত্র নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে। আমরা আশাবাদী হয়েছিলাম, এবার বাংলাদেশ সত্যিকারের গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাবে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা অরাজকতা অনিয়ম চলছিল তা কাটিয়ে এবার একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে দেশে, তেমন আশায় বুক বাঁধলেও এখন যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে সবকিছু তছনছ হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। চব্বিশের ঐতিহাসিক গণ অভ্যুত্থান স্বৈরাচারী স্বেচ্ছাচারি শেখ হাসিনার দুঃশাসন হটাতে দেশের বিভিন্ন শ্রণিপেশার মানুষ ছাত্র জনতা, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। অগ্নিঝরা ৩৬ দিনের আন্দোলনে সামিল দেশের মানুষের সামনে টিকতে না পেরে স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল। সেটা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অসাধারণ অধ্যায়ের সূচনা। গোটা বিশ্বে চমক সৃষ্টি করেছিল লৌহ মানবী হিসেবে কুখ্যাত স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনার ভয়ানক পতন। দেশে ভয়ংকর একটা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বলতে হয়, সর্বাঙ্গে ব্যথা ওষুধ দিব কোথা? দেশের এক জায়গায় মলম লাগাবেন আরেক জায়গায় ফোড়া বের হবে। টোটকা-ফোটকায় কাজ হবে না। একটা সামাজিক বিপ্লব আজকে ফরজ হয়ে গেছে। কেউ জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে না, আমরা আমজনতা ঠকি। কেন ঠকি? জমি বর্গা দেওয়া যায়, স্বার্থ বর্গা দেওয়া যায় না।যারা এতদিন দেশ চালিয়েছে, লুটপাটতন্ত্র কায়েম হয়েছে। লুটপাটের রাজত্ব বহাল রাখার জন্য মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে। এমনকি ভোটাধিকার পর্যন্ত হরণ করেছে। বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে এক দুর্যোগের ঘনঘটা। একটা গভীর সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ নিপতিত হচ্ছে। একটা গভীর খাদের কিনারে এসে বাংলাদেশ এখন উপনীত হয়েছে। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে যে কিছু অসংগতি রয়েছে, এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্নমতের কথা উল্লেখ ছিল। বলা হয়েছিল, সব রাজনৈতিক দল এই ভিন্নমতগুলো নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করে জনগণের সম্মতি গ্রহণ করবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু ঐকমত্য কমিশনের গণভোটের প্রস্তাবে এই ভিন্নমতগুলো রাখা হয়নি। আরেকটি বড় অসংগতি হলো সংবিধান সংস্কারের জন্য ২৭০ দিনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা। ২৭০ দিন পেরিয়ে গেলে সংস্কার প্রস্তাব কেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে? তাহলে সংসদে আলাপ-আলোচনা, তর্কবিতর্কের কী মূল্য থাকল? ভুলে গেলে চলবে না, একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবিধান সংস্কারের বৈধতা আসে আলাপ-আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাওয়া নৈতিক সম্মতি থেকে, কোনো সময়সীমার বাধ্যবাধকতা থেকে নয়। যে বিষয়টি সবার মনে রাখা দরকার, তা হলো জোর করে বা চালাকি করে কোনো সংস্কার চাপিয়ে দেওয়া যায় না। সে রকম হলে সংস্কার টেকসই হবে না। এর আগে বিভিন্ন সময়ে এ রকম চেষ্টা দেখা গেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থই হয়েছে। সংস্কারপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষ, অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকার, ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘জুলাই সনদ’ ও ঐকমত্য কমিশনের সংবিধান সংস্কার-সংক্রান্ত সুপারিশগুলো নিয়ে ব্যাপক আলাপ-আলোচনা চলছে। এক কথায় বলা যায়, সব মহলে এ বিষয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। এটি নিছক কোনো রাজনৈতিক বিতর্ক নয়। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক গভীর চিন্তার প্রতিফলন। এ বিষয়ের সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত। কমিশনের প্রস্তাবগুলো একদিকে রাজনৈতিক সংস্কারের সাহসী পদক্ষেপ, অন্যদিকে এগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে নানা জটিলতা, দ্বন্দ্ব ও আশঙ্কা।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে যে, কোনো সংস্কার তখনই টেকসই হয় যখন তা রাজনৈতিক ঐকমত্য ও জনগণের অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। ১৯৯১ সালের ১২তম সংশোধনী তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ- যেখানে শাসনব্যবস্থার রূপান্তর হয়েছিল সংসদীয় ঐকমত্যের মধ্যদিয়ে। কিন্তু আজকের প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, দলীয় বিভাজন এত গভীর যে, ‘ঐকমত্য’ শব্দটাই অনেকের কাছে সন্দেহজনক হয়ে উঠেছে। তাই কমিশনের প্রস্তাব কেবল সংবিধান সংস্কার নয়, বরং আস্থা পুনর্গঠনেরও একটি সুযোগ। অবশ্য এ কথাও অস্বীকার করা যায় না যে, বাংলাদেশের জনগণ এখন প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, বিচার বিভাগের জবাবদিহি ও সেবা প্রদানে কার্যকারিতা চায়। কমিশনের সুপারিশে এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি নিঃসন্দেহে নাগরিক প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদি এ সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হয়, তবে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়বে, বিচারব্যবস্থায় গতি আসবে এবং রাষ্ট্রের সেবাদান প্রক্রিয়া আরও ডিজিটাল হবে। রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া এসব কাঠামোগত পরিবর্তন কেবল উপসর্গ নিরাময়ের সমাধান- মূল রোগ থেকে মুক্তি নয়। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশকে ঘিরে যে বিতর্ক চলছে, তা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। একদিকে আছে সংস্কারের আশাবাদ, অন্যদিকে রয়েছে আস্থার সংকট। এ দুই মেরুর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন সময়ের দাবি।একদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সরকারের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে যে সুপারিশমালা সরকারের কাছে পেশ করেছে, তা নিয়ে রাজনীতির মাঠ বেশ গরম। বিএনপিসহ বেশ কিছু দল একে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও তামাশা বলেও অভিহিত করেছে। আবার কেউ কেউ স্বাগতও জানিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অবস্থান নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, জুলাই সনদ ও আইনি ভিত্তি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত না হতে পারলে নির্বাচন হবে কীভাবে? রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তিনটি বলয় তৈরি হয়েছে। একটি বলয় হলো বিএনপি ও তাদের সমর্থক-অনুসারী দল। আরেকটি হলো জামায়াতে ইসলামী ও এর অনুসারী দল। তৃতীয়টি হলো জাতীয় নাগরিক পার্টি। আবার কোনো কোনো দল দুই নৌকায় পা দিয়ে রেখেছে। যেখানে গিয়ে ভোটের মাঠে সুবিধা করা যাবে, শেষ পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যাবে। মাঠে সক্রিয় থাকা ৩০টি রাজনৈতিক দলকে নিয়েই সরকার তথা জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ আট মাস ধরে আলোচনা করে ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৪৮টি বিষয় যেহেতু সংবিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সেহেতু এগুলোর আইনি ভিত্তি তৈরির জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে, যা নিয়ে আবার মতভেদ দেখা দিয়েছে। যদিও সনদ তৈরির সময় বলা হয়েছিল, তারা আইনি ভিত্তির সুপারিশ করবে না। কিন্তু অসমাপ্ত সনদ করতে গিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন আরও জট পাকিয়ে ফেলেছে। যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে মতবিরোধ তীব্র, তার একটি হলো গণভোটের তারিখ। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের অনুসারীরা বলছে, নভেম্বরেই গণভোট হতে হবে। অন্যদিকে বিএনপি ও তাদের অনুসারীদের দাবি, সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট হতে পারবে না। তারা মনে করেন, আগে গণভোটের দাবি তোলা নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার দুরভিসন্ধি ছাড়া কিছু নয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অবশ্য দুই বিকল্প প্রস্তাবই সরকারের কাছে পেশ করেছে। সমস্যা হলো যিনি সরকারপ্রধান, তিনি ঐকমত্য কমিশনেরও প্রধান। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে কে কার কাছে প্রস্তাব পেশ করেছেন। দ্বিতীয়ত, জুলাই সনদে ঐকমত্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের আপত্তিগুলো লিপিবদ্ধ হলেও আইনি ভিত্তির সুপারিশে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ও তাদের অনুসারীদের প্রধান আপত্তি এখানেই। জুলাই সনদে বলা হয়েছে, যেসব বিষয় রাজনৈতিক দলগুলো আপত্তি জানিয়েছে, নির্বাচনে তারা জনগণের রায় পেলে সেটি বাস্তবায়ন করতে বাধ্য নয়। কিন্তু আইনি ভিত্তিতে যখন সেটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে সেটি অনুমোদন করে নিলে সংসদের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে। তাদের তৃতীয় আপত্তির জায়গা হলো স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আইনি ভিত্তি অনুমোদিত হয়ে যাওয়া। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বলেছে, যদি ৯ মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ উল্লিখিত বিষয়ে আইন পাস না করে, তাহলে সেটা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অনুমোদিত হয়ে যাবে। ঐকমত্য কমিশনের এই আইনি ভিত্তির সঙ্গে ১৯৭০ সালে ইয়াহিয়া খান প্রণীত এলএফওর মিল খুঁজেও পেয়েছেন কোনো কোনো বিশ্লেষক।সিদ্ধান্তটি কবে হবে, কেমন হবে? যদি একই দিনে দুই ভোট করার পক্ষে সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জামায়াত ও এনসিপি কি মেনে নেবে? আর যদি সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট হয়, বিএনপি কি তা গ্রহণ করবে? যদি না করে, কী পরিস্থিতি তৈরি হবে? রাজনৈতিক দলগুলোকে জুলাই সনদের পক্ষে এনে সরকার যতটুকু বাহবা পেয়েছিল, তার বেশি সমালোচিত হয়েছে আইনি ভিত্তি দিতে গিয়ে। এখানে কোনটি ন্যায্য, কোনটি অন্যায্য; তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তারা রাজনৈতিক দলগুলোকে একমতে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যেমন একে অপরকে বিশ্বাস করবে না, তেমনি তাদের বড় অংশ সরকারের প্রতিও আস্থাশীল নয়। নির্বাচনের বিষয়ে শুরু থেকে সরকারের দ্বিধাদ্বন্দ্ব রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেমন সন্দেহ বাড়িয়েছে, তেমনি সরকারের প্রতিও এক ধরনের অনাস্থা সৃষ্টি করেছে। জুলাই জাতীয় সনদ ও তা বাস্তবায়নের সুপারিশ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার অবসান ঘটিয়ে সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দিকে মনোযোগী হতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারকে। যা হওয়ার হয়েছে। ওই সমস্যাগুলো সমাধান করে যাতে সবাই একসঙ্গে আমরা নির্বাচনের দিকে যেতে পারি, এই সমস্যার সমাধান করে আমরা জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করতে পারি, সেই পথে এগিয়ে যেতে হবে।

আজকে যে সংকট তৈরি করেছে এই অন্তর্বর্তী সরকার ও ঐকমত্য কমিশন। আমরা বিশ্বাস করি যে এই সংকট কেটে যাবে। এই দেশের মানুষ কখনো পরাজিত হয় না। পরাজয় বরণ করেনি, পরাজয় বরণ করবে না। যেকোনো চক্রান্তকে পরাজিত করতে সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তাকে পরাজিত করতে হবে। এখানে আমরা বিভিন্ন দল করতে পারি, বিভিন্ন মত থাকতে পারে, বিভিন্ন পথ থাকতে পারে, কিন্তু একটা বিষয়ে আমরা সব সময় এক ছিলাম, বাংলাদেশের ব্যাপারে; সবার আগে বাংলাদেশ—এ ব্যাপারে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই। রাজনৈতিক জীবনে হতাশাবাদী হলে চলবে না; কারণ, আমরা বিশ্বাস করি যে ন্যায়ের জয় হবেই, সত্যের জয় হবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে হটাতে যুগপৎ কর্মসূচিতে থাকা সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা যেমন অতীতে একসঙ্গে ছিলাম, সব সময় একসঙ্গে থাকব।

লেখক: অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার, কলামিস্ট।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট