জীবনযাপন ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
ওজন কমানো ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অলিভ অয়েলের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এই তেল হজমে সহায়তা করে, খারাপ (এলডিএল) কোলেস্টেরল কমায় এবং শরীরের পক্ষে বেশ উপকারী। তবে তেল কিভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটাই নির্ধারণ করে এর উপকার কতটা পাওয়া যাবে।
অলিভ অয়েলের ধরন ও ব্যবহার
বাজারে পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের অলিভ অয়েল—এক্সট্রা ভার্জিন, ভার্জিন ও রিফাইনড।
এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল : অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ এবং গন্ধে-স্বাদে সেরা। সালাদ, ড্রেসিং বা কাঁচা খাওয়ার জন্য উপযুক্ত।
ভার্জিন অলিভ অয়েল : সালাদ ও রান্না—দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়।
রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহারে সতর্কতা
উচ্চ তাপ ব্যবহার নয় : অলিভ অয়েল দিয়ে রান্নার সময় আঁচ কম রাখতে হবে।
বেশি তাপমাত্রায় রান্না বা গভীর ভাজাই করলে তেলের গুণ নষ্ট হয়ে যায়। হালকা ভাজা বা সাঁতলানোর জন্য এই তেল ব্যবহার করা উত্তম।
শেষে তেল ছড়িয়ে দেওয়া : স্যুপ, পাস্তা, গ্রিলড সবজি, রোস্টেড খাবারের ওপর শেষে অলিভ অয়েল ছড়িয়ে দিলে স্বাদ বাড়ে এবং পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। তবে রসুন–আদা বা অতিরিক্ত মসলার সঙ্গে ব্যবহার করলে তেলের নিজস্ব স্বাদ নষ্ট হয়।
সঠিকভাবে সংরক্ষণ : অলিভ অয়েল দীর্ঘদিন রেখে ব্যবহার করতে চাইলে—
অন্ধকার স্থানে রাখতে হবে
বায়ুরোধী কাচের বোতলে রাখাই ভালো
সূর্যালোক বা প্লাস্টিকের পাত্রে রাখলে তেলের গুণ নষ্ট হতে পারে। সাধারণত সঠিক সংরক্ষণে ১২–২৪ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।
তেলের গুণ পরীক্ষা : ভালো মানের অলিভ অয়েলে থাকে হালকা সোনালি আভা ও স্বাভাবিক গন্ধ। রং ঘোলাটে হয়ে গেলে ধরে নিতে হবে তেল আর ততটা ভালো নেই। তাই কেনার আগে মেয়াদ দেখে নেওয়া জরুরি।
বারবার ব্যবহার না করা : একই তেলে বারবার রান্না করলে এর গুণ নষ্ট হয় এবং ক্ষতিকর যৌগ তৈরি হতে পারে, যা শরীরের জন্য বিপজ্জনক।
সূত্র : আনন্দবাজার ডট কম