1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খামেনি হ/ত্যা/র প্রতিশোধে ইরানের সঙ্গে যোগ দিল যারা দরিদ্র পরিবার থেকে যেভাবে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন আলি খামেনি কাছের মানুষদের নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করলেন আদ্রিকা এ্যানী পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মাগফিরাতের দশক: আল্লাহর ক্ষমা পেতে যেসব আমল করবেন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হাম/লার দাবি ইরানের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭৭ (সাতাত্তর) জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি শেরপুরে সরকারি মাধ্যমিক স্তরের ৬ হাজার কপি বই জব্দ,ভাঙ্গারীর স্টোর সিলগালা বাগমারায় সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া অনুষ্ঠান শরীয়তপুরে নড়িয়ায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

মিজানুর রহমান (বাবুল) সংবাদ এই সময়।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা গভীর সংকটের মধ্যে নিপতিত। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে জটিল আকার ধারণ করেছে। ফলে দেশের বৌদ্ধিক সম্ভাবনা ও মেধার বিকাশকে ক্রমেই ক্ষয় করছে। এটি শুধু শিক্ষার মান হ্রাস নয়, বরং একটি সামাজিক, নৈতিক এবং মানসিক সংকট, যা দীর্ঘ মেয়াদে জাতীয় প্রতিভার ধ্বংসসাধন করছে। একই সঙ্গে সামাজিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক অগ্রগতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। শিক্ষার ক্ষেত্রকে যদি রাজনৈতিক স্বার্থ প্রভাবিত করে, তবে তা দেশের সামগ্রিক মানবসম্পদ তৈরিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করতে পারে।

এ দেশের শিক্ষার্থীরা একসময় জাতির আশা ও ভবিষ্যতের প্রতিভা হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু দুই দশকের বেশি সময় থেকে দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতাপন্থী ছাত্ররাজনীতি এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে শিক্ষার্থীদের মননশীলতা ও সৃজনশীল বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন শিক্ষাজীবনকে রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষমতার মঞ্চ হিসেবে গ্রহণ করছেন। এতে তাঁরা স্বাধীন চিন্তা, বিশ্লেষণক্ষমতা এবং উদ্ভাবনী মননশীলতা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ছাত্ররাজনীতি নেতৃত্ব, সংগঠন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশের একটি মাধ্যম। কিন্তু ১৯৯০ সালের পর থেকে তা সহিংসতা, সংঘাত এবং পার্টিভিত্তিক প্রভাবের খেলার মাঠে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, প্রশাসনিক অনিয়ম, অস্থিরতা—এই সব মিলিয়ে তাঁরা আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছেন। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে দেশের মেধার অপচয় হচ্ছে।

শিক্ষকদের ভূমিকা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকেরা কেবল জ্ঞান প্রদানের মাধ্যম নন; তাঁরা শিক্ষার্থীর নৈতিক ও বৌদ্ধিক বিকাশের দিশারি। শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু পাঠ্যক্রম সম্পন্ন করা নয়; শিক্ষার্থীর অন্তর্দৃষ্টি, উদ্ভাবনী মনন এবং নৈতিক বিকাশ নিশ্চিত করা। তবে রাজনৈতিক চাপ, স্বার্থান্বেষী প্রশাসনিক নির্দেশনা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ শিক্ষকদের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করছে।

রাজনীতির প্রভাব শিক্ষাক্ষেত্রে সীমিত করা না গেলে, তা দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিকেও প্রভাবিত করবে। সমাধানের জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের উচিত রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য উপলব্ধি করা। তাঁদের মননশীলতা, স্বাধীন চিন্তাশীলতা এবং সৃজনশীলতা বিকাশে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন।

শিক্ষা, মেধা এবং নৈতিকতার সঠিক সমন্বয় দেশের শক্তি নির্ধারণ করে। শিক্ষাক্ষেত্রে মেধার অবক্ষয় মানে দেশের ভবিষ্যতের সংকট। শিক্ষার্থীর মননশীলতা, শিক্ষকের নৈতিকতা এবং রাজনীতির স্বাস্থ্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে মেধা পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট