হাবিবুর রহমান সুজন
সমাজে মানবিকতা ও সহযোগিতার উদাহরণ হরহামেশাই দেখা যায় না। তবে মো: আনোয়ার হোসেন তার কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করছেন—মানুষের জন্য কিছু করতে চাইলে মনই সবচেয়ে বড় শক্তি। গরীব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহায়তা করা এবং সমাজে সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখায় তিনি এলাকায় ইতোমধ্যেই পরিচিত মুখ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি নিয়মিতভাবে দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্যসামগ্রী, চিকিৎসা সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সেবা দিয়ে আসছেন। কারও ঘরে খাবার না থাকলে, কারও সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করাতে সমস্যা হলে কিংবা কোনো পরিবার হঠাৎ সংকটে পড়লে—সবার আগে পাশে দাঁড়ান আনোয়ার হোসেন।
শুধু মানবিক সাহায্যই নয়, মসজিদ-মাদ্রাসার খেদমতেও তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। এলাকায় যে কোনো ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে তিনি অংশ নেন আন্তরিকভাবে। মসজিদ সংস্কার থেকে শুরু করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সহায়তা—সব জায়গাতেই তার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
এলাকার এক বাসিন্দা জানান, “আনোয়ার ভাই আমাদের সুখে-দুঃখে সবসময় আছেন। তিনি শুধু সাহায্য করেন না, সকলের সাথে আপনজনের মতো সম্পর্ক রাখেন।”
মানবিকতা, দানশীলতা ও সমাজের জন্য ইতিবাচক কাজ—এই তিনটি গুণ মো: আনোয়ার হোসেনকে আলাদাভাবে অনেকের হৃদয়ে স্থান দিয়েছে।
সমাজ উন্নয়নে তার এ ধারাবাহিক উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।