মো আবদুল করিম সোহাগ
ঢাকা
কিংবদন্তী চিত্রনায়ক জাবেদ বাদ মাগরিব ৬ টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১২ নং সেক্টর কবর স্থান সমাহিত করা হয়।
প্রথম জানাজা বাদ আসর বিএফডিসিতে এবং দ্বিতীয় জানাজা উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের বায়তুল জামান জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
শেষবারের মতো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে এলেন কিংবদন্তি অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। তবে এ আগমন ছিল না কোনো আনন্দের, ছিল গভীর শোক আর ভারী নীরবতা। যে আঙিনায় জীবনের বড় একটি সময় কাটিয়েছেন, আজ সেখানেই এলেন তিনি নিথর দেহে। চলচ্চিত্রাঙ্গনের মানুষদের চোখে তখন শুধু অশ্রু।
ফ্রিজার ভ্যানে করে মরদেহ আনা হলে বিএফডিসি প্রাঙ্গণে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজকসহ চলচ্চিত্রের নানা শাখার সহকর্মীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন। ফুলেল শ্রদ্ধা আর নীরব প্রার্থনায় বিদায় জানানো হয় এই গুণী অভিনেতাকে।
শোকাহত সহকর্মীদের চোখেমুখে ছিল গভীর বেদনা। আর হবে না সেই চেনা আড্ডা, সিনেমা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক কিংবা চলচ্চিত্রের ভালো-মন্দে ইলিয়াস জাভেদের সরব উপস্থিতি। না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি, রেখে গেছেন শূন্যতা আর স্মৃতির দীর্ঘ ছায়া।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন ইলিয়াস জাভেদ। তার প্রয়াণে বিএফডিসিতে নেমে আসে শোকের ছায়া। সহকর্মী শিল্পী ও নির্মাতাদের কণ্ঠে উঠে আসে একই কথা-এই মৃত্যু চলচ্চিত্রাঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সহকর্মীদের আবেগঘন বিদায়ে ভারী হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। মৃত্যু দিয়ে ইলিয়াস জাভেদ চলে গেলেও, তার অভিনয় আর সৃষ্টিশীল কাজের মধ্য দিয়ে তিনি বেঁচে থাকবেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম।