1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লাউচাপড়া - সংবাদ এইসময়
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লাউচাপড়া

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

শুভ্র মেহেদী, জামালপুর

জামালপুরের লাউচাপড়ার নৈসর্গিক সৌন্দর্য ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করে রেখেছে বছরের পর বছর। আলো-হাওয়া আর অপরূপ সৌন্দর্য মুহূর্তেই সব গ্লানি মুছে দিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের মনে বইয়ে দিচ্ছে আনন্দের ঢেউ। ঘন সবুজ আর পাহাড়কে যারা ভালোবাসেন, নির্দ্বিধায় তারা চলে আসতে পারেন জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া পিকনিক স্পটে। তবে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থাকা সত্ত্বেও রক্ষণাবেক্ষণ আর উন্নয়নের অভাবে পর্যটক হারাচ্ছে লাউচাপড়া।

একপাশে বকশীগঞ্জ, অন্য প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা জেলা। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছবির মতো গারো পাহাড় দিয়ে তুরা জেলা আলাদা করে রেখেছে বকশীগঞ্জ উপজেলা। ঘন সবুজ পাহাড়, বনভূমি সব সময় আকৃষ্ট করছে ভ্রমণপিপাসুদের। পাহাড়-টিলা, পাহাড়ের ফাঁকে ফাঁকে ছোটবড় ঝরনাধারা, আদিবাসীদের পাহাড়ি গুচ্ছগ্রাম আর দিগন্তজোড়া ঘন সবুজ-সব মিলিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ সমারোহ।

জামালপুর সদর উপজেলা থেকে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার উত্তরে বকশীগঞ্জ উপজেলায় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষে প্রায় ১০ হাজার একর জায়গাজুড়ে বাংলাদেশ অংশে বিশাল গারো পাহাড়। লাউচাপড়া ও ডুমুরতলা মৌজায় বিভক্ত পাহাড় আর বনভূমি এলাকাটি বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। মৌজা দুটির পাহাড়ের ঢাল দিয়ে অবস্থিত লাউচাপড়া, পলাশতলা, দিঘলাকোনা, বাবলাকোনা, বালিজোড়া, গারোপাড়া, শুকনাথপাড়া, সোমনাথপাড়া, মেঘাদল, সাতানীপাড়া, বালুঝুড়ি গ্রামে গারো ছাড়াও রয়েছে হাজং-কোচদের বাস। এ অঞ্চলে আদিবাসী পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৭০০।

প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্য নিয়ে সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়ি আদিবাসী গ্রামগুলো। পাহাড়, ঘন বন, পাথর আর আদিবাসীদের বৈচিত্র্যময় জীবনযাপন একনজর দেখতে নগর জীবনের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির ঘন সবুজের সমারোহে হারিয়ে যেতে এখানে ছুটে আসেন ভ্রমণপিপাসুরা। ভ্রমণপিপাসুদের সরগমে পুরো শীত মৌসুম লাউচাপড়া হয়ে ওঠে পিকনিক স্পট। ১৯৯৬ সালে ভ্রমণপিপাসুদের কথা চিন্তা করে জামালপুর জেলা পরিষদ ২৬ একর জায়গা নিয়ে গারো পাহাড়ের পাদদেশে ‘ক্ষণিকা’ নামে পিকনিক স্পট নির্মাণ করে। ১৫০ ফুট উচ্চতায় ক্ষণিকা পিকনিক স্পটেই ৬০ ফুট সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে।
এ টাওয়ার থেকেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঘন সবুজের সমারোহ নিয়ে সারি সারি টিলা। মুহূর্তেই চোখ চলে যাবে সীমান্তের ওপারে।
তবে অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পর্যটকদের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত বিনোদনব্যবস্থার অভাব, পরিত্যক্ত শিশু পার্ক, রাতযাপনের সুযোগ না থাকা, মানসম্পন্ন খাবার হোটেলসহ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দিনদিন পর্যটক হারাচ্ছে লাউচাপড়া বিনোদন কেন্দ্রটি।

জামালপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন বাবু লাউচাপড়ার অপার সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘লাউচাপড়া পিকনিক স্পটের জায়গাটি খুব বড় না। বন বিভাগের কারণে সীমানা বাড়ানোও যাচ্ছে না। সীমান্তবর্তী হওয়ায় এলাকাটি বিজিবির আওতায়। ট্যুরিস্ট পুলিশ নেই। নিরাপত্তার অভাবে বর্তমানে রাতযাপনের সুযোগ নেই। তবে লাউচাপড়ার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য চলতি অর্থবছরে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য প্রাইভেট পার্টনারশিপের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ডাকবাংলো করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেটি তৈরি হলে বিজিবির অনুমতি সাপেক্ষে পর্যটকরা রাতযাপন করতে পারবেন। ’

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট