1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
শবেবরাতে করণীয় ও বর্জনীয় - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন

শবেবরাতে করণীয় ও বর্জনীয়

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

মুফতি নোমান আহমাদ

শবেবরাত শুধু হালুয়া-রুটির উৎসব নয়, নিজের পরকাল নির্মাণের উপলক্ষ। তাই এ রাতে আমাদের করণীয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-‘কিয়ামুল লাইল’ তথা রাতে নফল নামাজ পড়া, কোরআনে কারিমের তিলাওয়াত করা, তাসবিহ-তাহলিল, জিকির-আজকার করা, তাওবা ইস্তেগফার পড়া, কবর জিয়ারত করা, নিজের জন্য, বাবা-মায়ের জন্য, আত্মীয়-স্বজনের জন্য ও সব মুসলমানের জন্য গুনাহ থেকে মাফ চাওয়া, দেশ-জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করা এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কান্নাকাটি করে রাত কাটিয়ে দেওয়া। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন— ‘কাঁদো, যদি কাঁদতে না পার তাহলে অন্তত কাঁদার ভান করো।’ কেননা চোখের পানির চেয়ে শক্তিশালী আর কোনো জিনিস নেই। (তারগিব : ৩৩২৮)

এ রাতে আমাদের বর্জনীয়

এ রাতে অযথা ঘোরাফেরা করা, আতশবাজি-পটকা ফোটানো, হইহুল্লোড় করা, অযাচিত আনন্দ-উল্লাস করা, গাড়ি ভাড়া করে এক মসজিদ থেকে অন্য মসজিদে যাওয়া, বিভিন্ন মসজিদে দুই রাকাত করে নামাজ পড়া, কারো ঘুমে বা ইবাদতে সমস্যা করা এবং অতিরিক্ত খাবারদাবার বিশেষ করে হালুয়া-রুটির উৎসব করা।

তাওবার গুরুত্ব

মানুষের জীবন গুনাহে জর্জর। গুনাহ সংঘটিত হওয়া কোনো আশ্চর্য বা অস্বাভাবিক বিষয় নয়; বরং আশ্চর্য হলো গুনাহের ওপর অটল-অবিচল থাকা, তওবা না করা। এ কারণে আল্লাহ তায়ালা কোরআনে কারিমে বারবার বান্দাকে তাওবার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন। ইরশাদ হচ্ছে—‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো, আন্তরিক তাওবা। আশা করা যায়, তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কর্মগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদের দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত।’ (সুরা তাহরিম : ৮)

অন্যত্র ইরশাদ করেন—‘মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর সামনে তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।’ (সুরা নুর : ৩১)। আরো ইরশাদ হচ্ছে—‘বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছে, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা যুমার : ৫৩)

এসব আয়াত থেকে বোঝা যায়, গুনাহর সঙ্গে মানুষের ফিতরাতের সম্পর্ক। গুনাহ করার প্রবণতা মানুষের স্বভাবের মধ্যে রয়েছে। সুতরাং মানুষ থেকে গুনাহ ও অপরাধ সংঘটিত হওয়া আশ্চর্যের বিষয় নয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো গুনাহ করে তার ওপর অবিচল থাকা, তাওবা না করা। এ কারণে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে বারবার ডেকে বলেন, ‘হে আমার বান্দা! তোমরা যারা গুনাহ করে নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, তারা আমার রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। তোমরা খাঁটি তাওবা করলে আমি তোমাদের যাবতীয় সব গুনাহ মাফ করে দেব। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।’

মানুষ যত গুনাহই করুক না কেন, যদি মৃত্যুর এক মুহূর্ত আগেও খাঁটি তাওবা করে, তাহলে তার সারা জীবনের সব গুনাহ তিনি মাফ করে দেবেন।

সুতরাং এই মহিমান্বিত রাতকে আমাদের যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া উচিত, তাই সন্ধ্যার আগেই নিজেকে পাক-সাফ করে, পবিত্র পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করে, গায়ে খুশবু মেখে, ইবাদতের উদ্দেশ্যে রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা পাওয়ার জন্য নিজেকে পাক মুক্ত করে নতুনভাবে জীবন গড়ার উদ্দেশ্যে মসজিদ পানে ছুটে চলব ইনশাআল্লাহ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট