কাজী নূরনবী
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁয় বিএনপি ও জামায়াত কর্মী-সমর্থকদের হামলার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে দল দুইটি। সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার জন্য প্রতিপক্ষকে দোষারোপ করেন বিএনপি ও জামায়াত নেতারা।
আজ দুপুর ১২টায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রকাশ্যে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক ভিডিও ধারণ করতে গেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং তাদেরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে গ্রামবাসী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের কথাকাটাকাটি শুরু হয়, এক পর্যায়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা গ্রামবাসী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে যা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে বিএনপি ও ছাত্রদলের অন্তত পাঁচজন নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হন। এই হামলা পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের ঘটনা আড়াল করতেই নিরীহ মানুষ এবং বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর এই বর্বর হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে গত রাত ১১ টার দিকে শহরের দয়ালের মোড়ে পৌর জামাত অফিসে সংবাদ সম্মেলনে নওগাঁ -৫ (সদর) আসনের জামাতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ স ম সায়েম অভিযোগ করেন গণসংযোগ শেষে আমি গোপাই মাখনা গ্রামে আমাদের এক কর্মীর বাড়িতে বিশ্রাম নেই। সেখানে উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও সন্ত্রাসীদেরকে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে ১০ নেতাকর্মীকে আহত করে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের আমিরের প্রোগ্রামটা যেন সফল না হয় সে উদ্দেশ্যে তারা হামলা চালিয়েছে।
উল্লেখ্য গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার মাখনা কোমলগোটা গ্রামে জামায়াত-বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।