আবদুল করিম সোহাগ
ঢাকা।
মহব্বত যদি কেবল মানুষের চেহারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত, তাহলে হয়তো সৌন্দর্যের সংজ্ঞা হতো একপাক্ষিক ও ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা মানুষকে দিয়েছেন একটি গভীর ও সংবেদনশীল অন্তর—যেখানে ভালোবাসা জন্ম নেয়, বিকশিত হয় এবং সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকে।
চেহারার সৌন্দর্য চোখে ধরা পড়ে, কিন্তু অন্তরের সৌন্দর্য অনুভবে ধরা দেয়। বাহ্যিক রূপ সময়ের সাথে বদলায়, মলিন হয়; অথচ অন্তরের মহব্বত বয়স, দূরত্ব কিংবা প্রতিকূলতাকেও অতিক্রম করতে পারে। তাই ভালোবাসার প্রকৃত রূপ কখনো মুখাবয়বে নয়, বরং মানুষের মনন, আচরণ ও মানবিকতায় প্রকাশ পায়।
সমাজে প্রতিনিয়ত আমরা দেখি—যেখানে সহানুভূতি, সম্মান আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আছে, সেখানেই মানুষ সবচেয়ে সুন্দর। এই সৌন্দর্য কোনো আয়নায় ধরা পড়ে না, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে গভীর ছাপ রেখে যায়।
আসলে উপরওয়ালা মানুষকে অন্তর দিয়েছেন বলেই মহব্বত আজও জীবনের সবচেয়ে পবিত্র অনুভূতি হয়ে আছে—যা বাহ্যিক সৌন্দর্যের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে মানুষ হিসেবে চেনায়।