1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
পর্দার আড়ালের কঠিন সংগ্রামের কথা বললেন সুমিত - সংবাদ এইসময়
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

পর্দার আড়ালের কঠিন সংগ্রামের কথা বললেন সুমিত

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

আবদুল করিম সোহাগ
ঢাকা।

এখনও ছবি বানাতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়: সুমিত
প্রথম সিনেমা ‘নোনা জলের কাব্য’ আধিপত্য দেখিয়েছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে। এবার রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের দ্বিতীয় ছবি ‘মাস্টার’ জয় করেছে ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারড্যাম তথা আইএফএফআর-এর ৫৫তম আসর। বিগ স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড জিতেছে ছবিটি। নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম থেকে ঢাকা মেইলের সঙ্গে ফোনালাপ জমেছিল এ নির্মাতার।
‘মাস্টার’ বিগ স্ক্রিন কম্পিটিশন অ্যাওয়ার্ড জিতবে— প্রত্যাশা করেছিলেন?

একেবারেই না। কারণ শিল্পমানের পাশাপাশি বাণিজ্যিক মান আছে এরকম ছবি বিগ স্ক্রিন কম্পিটিশনে জায়গা পায়। ফলে বেশ কয়েকটি হেভিওয়েট প্রজেক্ট ছিল। ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ সিনেমার জন্য অস্কার মনোনীত অভিনেত্রী রেনেট রেইনসভের নতুন ছবি ‘বাটারফ্লাই’ সেগুলোর একটি। এছাড়া ইজাবেল সান্দোভালের ‘মুনগ্লো’, বাফটা অ্যাওয়ার্ড জয়ী ব্রিটিশ অভিনেতা পিটার পল মুলারের ছবিসহ বড় আয়োজনের ছবিগুলোর সঙ্গে আমাদের সিনেমা লড়েছে। ইনডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম হিসেবে অংশগ্রহণটা দারুণ ব্যাপার ছিল আমাদের কাছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন টকে হাজির হতাম। বড় বড় বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন— শুনতাম। অন্য স্ক্রিনিংগুলো দেখতাম। ওয়ার্কশপও করেছি। আমাদের চারটি স্ক্রিনিং ছিল। টের পাচ্ছিলাম মানুষের পছন্দ হচ্ছে। মাস্টার চরিত্রে নাসির উদ্দিন খানের ট্রান্সফরমেশন তাদের ভাবাচ্ছে। যেহেতু বিশ্বে এখন ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন হচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্বেও কথা হচ্ছে ক্ষমতার পরিসীমা নিয়ে। সেজন্য ছবিটা তাদের কাছে খুব প্রাসঙ্গিক ছিল। ভালো ফিডব্যাক পাচ্ছিলাম। কিন্তু বিগ স্ক্রিন কম্পিটিশনের মূল পুরষ্কার পাব আশা করিনি। এটা আশ্চর্যজনক ছিল।

সিনেমার জন্য এরকম একটি গল্প বেছে নেওয়ার কারণ কী?

‘নোনা জলের কাব্য’-এর শুটিং যে গ্রামে করেছিলাম সেখানে ২২ ঘর জেলে থাকত। যেটা সাগরের পানিতে ভেসে যায়। এরপর বনে আশ্রয় নিলে বনবিভাগ তাদের উচ্ছেদ করে। তারা সম্পূর্ণ বাস্তুহারা হয়ে যায়। ওই পরিবারগুলোকে অনুসরণ করতে থাকি। এদিকে ৩-৪ বছর আগে আমি ‘তুফান আইতাছে’ নামে একটি ডকুমেন্টারির শুটিং করছিলাম। সেটা করতে গিয়ে দেখলাম যারা ঘর হারাল তাদের পুনর্বাসন করবে সরকার। সরকারের দুটি অংশ। প্রশাসন আর পরিষদ। তাদের ইউএনওর কাছে দৌড়াতে হয়। চেয়ারম্যানের কাছেও যেতে হয়। কিন্তু কেউ তাদের কথা দিয়ে কথা রাখে না। প্রাপ্য সম্মানটুকুও দেয় না। এগুলো কাছে থেকে আমার দেখার সুযোগ হয়। ইউএনও-চেয়ারম্যানদের জনসেবার জন্য বসানো হলেও তারা ব্যস্ত নিজেদের নিয়ে। মাঝখান থেকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ফাঁক গলে পড়ে যাচ্ছে এই সাধারণ জেলেরা। এটা আমাকে খুব ভাবায়। তখন মনে হলো ‘তুফান আইতাছে’ শেষ করতে অনেক সময় লাগবে। তার আগে এই গল্পটা বলা জরুরি। যেখানে দেখা যাবে বাংলাদেশে ক্ষমতার অপব্যবহার কীভাবে হয় এবং তা মানুষকে কীভাবে বদলে দেয়। পাশাপাশি আমলাতন্ত্রও এই ছবির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেটা নিয়েও পড়াশুনা করি। এরপর মোহগঞ্জ নামের কাল্পনিক এক উপজেলায় নিয়ে যাই। যার শুটিং হয়েছে মধুপুর-ধানবাড়ি।

জহির, ঝর্ণা, নানজিবার জন্য নাসির উদ্দিন খান, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধনকেই কেন উপযুক্ত মনে হলো?

নাসির ভাইকে সবাই নেতিবাচকভাবে দেখায়। আমার কাছে মনে হয়েছিল তাকে এক্সপেরিমেন্ট করতে চাই। সম্পূর্ণ বিপরীত একটি চরিত্র দিতে চাই যেখানে তিনি আপাতদৃষ্টিতে খুবই ভালো সরল সাধারণ মানুষ। যার মধ্যে আদর্শ আছে। যে আদর্শের কথা বলে। শিক্ষক। এই চরিত্রটা তাকে দিই। তার ওপর বিশ্বাস ছিল। পরে তো জহিরকে পেলাম। তিনি দেখতে যেরকম তার চেয়ে অন্যরকম লেগেছে। ফেস্টিভ্যালেও তাকে প্রথমে কেউ চিনতে পারেননি। মম আপার চরিত্রের নাম ঝর্ণা। খুব শান্ত, কিন্তু শক্তিশালী। সে জহিরের পরিবর্তনটা দেখে। প্রথম অডিশনেই মম আপা চরিত্রের এই দিকগুলো সাবলীল ভাবে তুলে ধরেন। বাঁধন আপার ইউএনওর ক্যারেক্টারটা লার্জার দেন লাইফ। প্রতাপশালী চরিত্র। নাম নানজিবা। এ ধরণের চরিত্র উনি ভালো করতে পারেন। এসব কারণেই তাদের উপযুক্ত মনে হয়েছে।

আপনার দৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সিনেমার অবস্থান কোথায়?

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি সিনেমা নিয়ে বড় ধরনের আগ্রহের জায়গা তৈরি হয়েছে। আমার কাছে এটা নিউ ওয়েভের মতো। যেটি তখনই টিকে যাবে যখন কমিউনিটি, সরকার, সমাজ একসঙ্গে সাপোর্ট করবে। কিন্তু যে ওয়েভ শুরু হয়েছে সেটি ব্যক্তিগত উদ্যোগের ফলাফল। এখনও আমাদের ছবি বানাতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়। কোনো সহায়তা পাই না। আর্থিক জায়গা থেকে আমার ছবিটা নিয়ে তেমন কেউ আগ্রহ দেখায়নি। পাশাপাশি ছবি বিভিন্ন কাজ ও বাজারজাতকরণে সাপোর্ট দরকার। মাস্টার, দেলুপি, রইদসহ এ ধরনের ছবি প্রমোট করা সরকারের দায়িত্ব। আমাদের ফিল্ম কাউন্সিল থাকলে তারা দায়িত্বগুলো পালন করত। কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া, সাবা, পায়ের তলায় মাটি নাই, বলি, আগন্তুক, নোনা জলের কাব্য, রেহানা মরিয়ম নূর, লাইভ ফ্রম ঢাকা এই ওয়েভের ফসল। তবে ছবিগুলো একের পর এক আসছে না। বছরে একটি দুটি করে আসছে। ওই জায়গা থেকে আমরা ওয়েভের শুরুতে আছি। এটা ধরে রাখতে সবার সহায়তা দরকার। যারা প্রজেক্ট স্টেজে সাহায্য করবে। ছবি শেষ হলে প্রমোট করবে। ফাইন্যান্সিং, প্যাকেজিং, লোকেশনের পারমিটে পাশে থাকবে। লোকেশনের পারমিট পাওয়া-ই যায় না। পাড়া গাঁয়ে শুটিংয়ে অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তার ইস্যুও থাকে। উন্নত দেশগুলোতে এগুলো একটা ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে হয়। আমাদের দেশে সেগুলো নেই। সামষ্টিক উদ্যোগ না হলে ধারাবাহিকতা থাকবে না।

বাঁধন একটি ভিডিও পোস্ট করে জানিয়েছেন আপনারা এক কিলোমিটার হেঁটে ফেস্টিভ্যালে যোগ দেন। অর্থাৎ পর্দার আড়ালের গল্প অতটা মসৃণ না। যেহেতু ছবিগুলো দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করছে সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় কোনো সহায়তা পেয়েছেন?

করোনা মহামারির আগে যেকোনো প্রথম শ্রেণির ফেস্টিভ্যালে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারে নির্বাচিত ছবি সংশ্লিষ্ট তিন-চারজনকে যাতায়াত ও হোটেল সুবিধা ফেস্টিভ্যালের পক্ষ থেকে দেওয়া হতো। কোভিডের সময় এটা বন্ধ হয়। ২০২২ সালে ফেস্টিভ্যাল শুরু হলেও এখন নির্মাতা ছাড়া কাউকে ওই সুবিধা দেওয়া হয় না। কিন্তু একজন গেলে তো হয় না। সেজন্য নিজেরা মিলে ব্যবস্থা করতে হয়। আমরা ওদের হোটেল না নিয়ে নিজেদের মতো করে থেকেছি। চার পাঁচজনের বড় টিম। সেজন্য অনেক ছাড় দিতে হচ্ছে। দূরে থাকতে হচ্ছে। কোনো টিম এক ঘণ্টা দূরে থাকে। কোনো টিম আমস্টারডাম থেকে রটারড্যামে প্রতিদিন আসে। সেটা খুব কঠিন। কেননা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন মিটিং প্রোগ্রাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকে। তারপর ঘণ্টা খানেক জার্নি করে যাওয়া-আসা। শারীরিক ধকলের বিষয় আছে। সেজন্য আমরা চেষ্টা করেছি কাছাকাছি হোটেল নেওয়ার। সে-ও এক কিলোমিটারের পথ। যদি একটা গাড়ি থাকত, কিংবা বাজেট থাকলে উবার নিয়ে যাতায়াত করতে পারতাম। কিন্তু সেরকম সুবিধা নেই। কেননা এর পেছনে কোনো প্রযোজনা সংস্থা নেই। নিজস্ব অর্থায়নে করেছি। সরকারি অনুদান ছিল কিছুটা। কিন্তু ৬০ লাখ টাকায় সিনেমা হয় না। এসব কাজের পেছনে একটি উপযুক্ত প্রযোজনা সংস্থা কিংবা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। যদিও আমরা কোনো মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো সুবিধা চেয়ে আবেদনও করিনি। তবে নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের যে দূতাবাসে আছে তারা নিজেদের ফেসবুক পেজ থেকে রটারড্যামে আসা বাংলাদেশি ছবিগুলো নিয়ে পোস্ট করেছেন। যেন বাঙালি কমিউনিটি জানে। দেখতে আসে। আর আমাদের সিনেমা দেখে তাদের খুবই পছন্দ হয়। তারা আমাদের অ্যাম্বাসিতে একবেলা খাওয়ার দাওয়াত দেন। আমরা গিয়েছিলাম।

আন্তর্জাতিক উৎসবে ডাক পাওয়া ছবিগুলোর পেছনে রাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রত্যাশা করেন?

আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না। সাজেশন দিচ্ছি। রটারড্যামে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে আমার মিটিং হয়েছে। তারা আমাকে জানাল, সব মিলিয়ে ১০ জন ফিল্মমেকারের ট্রাভেল, প্রজেক্টের প্রেজেন্টেশনসহ যা যা লাগে সেগুলোতে সাহায্য করেছে। ব্রিটিশ কাউন্সিল ট্রাভেল ফান্ড নামে তাদের তহবিল আছে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফান্ড আসে ব্রিটিশ সরকার থেকে। ছবি বানানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের জন্য ফান্ড থাকে। কারণ তারা জানে সব ছবির পেছনে প্রযোজনা সংস্থা থাকবে না। অফুরন্ত বাজেট থাকবে না। অনেক মেকারের পোস্ট প্রোডাকশনেই বাজেট শেষ হয়ে যায়। তখন তাদের ট্রাভেল মানি প্রয়োজন হয়। লন্ডন থেকে রটারড্যাম খুব বেশি হলে ৩ ঘণ্টার পথ। তবুও তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ব্রিটিশ কাউন্সিল করছে। আমাদেরও এরকম একটা ব্রিটিশ কাউন্সিল ভার্সন থাকা উচিত। যারা বিদেশের মাটিতে কালচারকে প্রমোট করবে।

আমাদের চলচ্চিত্রের নিজস্ব ভাষা তৈরি হয়েছে?

আমাদের সিনেমার নিজস্ব ভাষা গড়ে উঠছে। ভারতের প্রভাব থেকে বেরিয়ে নিজস্ব একটা জায়গা তৈরি করে নিচ্ছি। আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ, মাকসুদ হোসেন, নুহাশ হুমায়ূন, মোহাম্মদ কাইউম, তাওকীর ইসলাম, মেজবাউর রহমান সুমন সেই কাজ করছেন। তারা দেশের লোকাল ইমেজস, ফ্লেভার ক্যাপচার করে বাংলাদেশি ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর কাজ করছেন।

দেশের বাণিজ্যিক ছবি নিয়ে আপনার মন্তব্য?

কমার্শিয়াল সিনেমার দুর্দশা ছিল। তবে দুই-তিনজন নির্মাতা এবং কয়েকজন অভিনেতার হাত ধরে তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠছে। তাদের সিনেমা দেখতে মানুষ হলে যায়। এটা ইতিবাচক। এর কৃতিত্বও তাদের। কিন্তু ওই জোয়ারে আমাদের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও সিরিয়াস গল্পের ছবিগুলো যেন হারিয়ে না যায়। আমি মনে করি রায়হান রাফী, দীপংকর দীপন, শাকিব খানের থাকাটা জরুরী। তাদের কারণে দলে দর্শক আসছেন। পাশাপাশি সমাজ গঠনের জন্য ভিন্ন ধারার ছবিও দরকার।

আপনার ড্রিম প্রজেক্ট কী?

এই মুহূর্তে ‘তুফান আইতাছে’র কাজ করছি। আমার তৃতীয় চলচ্চিত্র। যারা ঘর হারিয়েছে তাদের গল্পটা বলতে চাই। এটা আমার ড্রিম প্রজেক্ট। বিদেশে যারা কাজ করেন তাদের নিয়ে আরেকটি ড্রিম প্রজেক্ট আছে। তাদের অনেক গল্প শুনেছি। সুখ দুঃখের অনেক গল্প। মনে গেঁথে আছে।

সামাজিক মাধ্যমে রটানো হচ্ছে— আপনার বাবা (সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক) কারাগারে, আপনি বিদেশে নায়িকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন…

আমিও দেখেছি। আপনি জানেন এ ধরনের ফেস্টিভ্যালে সুযোগ পাওয়া কতটা কঠিন ও সম্মানের! আমাদের ব্যর্থতা— সাধারণ মানুষকে সেটা বোঝাতে পারিনি। দ্বিতীয়ত, আমি এখানে আমার ছবি রিলিজের জন্য এসেছি। এটা কাজ। আমার শিল্পীরাও সেই কাজে এসেছেন। সঙ্গে আমার স্ত্রীও আছেন। কিন্তু এই বিষয়গুলো তো সবাইকে ব্যখ্যা করতে পারব না।

তারা আমার আব্বুর ভালো চাইলে তার ছেলেকে নিয়ে এসব রটাতেন না। সত্যিকারের সহানুভূতি থাকলে কি এরকম করতে পারে! আমার মনে হয় না। যে বিপদে থাকে সে বোঝে কত জ্বালা। দেশের বাইরে বসে অ্যাক্টিভিজম করা যায়। আমরা দেশে থেকে মোকাবেলা করছি। আব্বুরও দেশ ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। বলেছেন, এই দেশের জন্য যুদ্ধ করছি। কেন যাব! তার আদর্শের জায়গা আছে। সেজন্য দেশে রয়ে গেছেন। আমরাও কোথাও যাইনি। উনি আমাদের সারাজীবন কাজের মাধ্যমে জবাব দিতে বলেছেন। আমি ছেলে হিসেবে দায়িত্ব পালন না করলেও বলতে পারত। সেটিও তো করছি। দুই সপ্তাহ পরপর আব্বুর সাথে দেখা করি। রটারড্যামে আসার আগের দিনও করেছি। আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করা, কোর্ট সামলানো— সব করতে হয়। সেগুলা কোনোদিন সামাজিক মাধ্যমে লিখি না। আব্বু যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখনও ওই পরিচয় ব্যবহার করিনি। এখনও বিপদে সহানুভূতি চাই না। তিনি সবসময় কাজের মাধ্যমে জবাব দিতে বলেছেন। অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছি। আশা করি জবাব দিতে পেরেছি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট